অনুমোদিত কোর্সসমূহ
0 +
সফল শিক্ষার্থী
0 +
অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলী
0 +

2023

প্রতিষ্ঠার বছর

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

লক্ষ্যঃ

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বেকারত্ব দূরীকরণে শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীকে ক্যারিয়ার এডুকেশন কর্মমুখী শিক্ষা দানের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উদ্দেশ্যঃ

(ক) শিক্ষার্থীদের জন্য যুগোপযোগী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।

(খ) শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা।

(গ) শিক্ষার্থীদের চিন্তা-চেতনায়, সৃজনশীলতায় এবং কর্মে মানব সেবাবোধ জাগ্রত করা।

(ঘ) শিক্ষার্থীদের জাতীয় জীবনে সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্বদান ও কর্ম সম্পাদন যোগ্যতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

(ঙ) প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই চাকরির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।

(চ) প্রতিষ্ঠানটিকে বেকার শিক্ষিত চাকরি প্রত্যাশীদের কাছে একটি অনুকরণীয় মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

Your Name

Your Name

নোটিশ / সংবাদ ও ঘটনাবলী

অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফাইন আর্টস (চারু ও কারুকলা) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি - সেশন ২০২৬

অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন কম্পিউটার টেকনোলজি (আইসিটি) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি - সেশন ২০২৬

অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফিজিক্যাল এডুকেশন (শারীরিক শিক্ষা) ভর্তি বিজ্ঞপ্তি - সেশন ২০২৬

প্রতিষ্ঠাতার বাণী

“একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেবল ডিগ্রি নয়, দৃষ্টিভঙ্গিও তৈরি করে”

ক্যারিয়ার এডুকেশন কর্মমুখী শিক্ষা পেশাগত জীবনে প্রতিটি মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক। এই শিক্ষার রয়েছে বহুমুখী স্বপ্নের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। এটি মানুষকে প্রতিষ্ঠিত করে এবং তাকে তার কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখতে সহায়তা করে। ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার হিসেবে পরবর্তী জীবনে তার কোন পেশা বেছে নেওয়া উচিত অনেক সময় তা বুঝে উঠতে পারে না। একটি গ্রহণযোগ্য ক্যারিয়ার গঠন করতে হলে বাস্তবতা বিবেচনা করে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়াও ক্যারিয়ার গঠনে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ বড় একটি ভূমিকা পালন করে। বাস্তব সম্মত দিক-নির্দেশনা, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুপ্রেরণা ও আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারলে তাদের ক্যারিয়ার গঠন অপেক্ষাকৃত সহজতর হয়। এদিকে কালের পরিক্রমায় প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে কাজের ধরণ এবং চাকরির ক্ষেত্রে বাড়ছে বিশাল প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার এই বিশাল যুগে এককেন্দ্রিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তব সম্মত চিন্তা করে একটি যুক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলেই অন্যান্য চাকরি প্রার্থী থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখা সম্ভবপর হবে। প্রতিযোগিতার এই বিশাল বাস্তবতা মাথায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি যেন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ করে তাদের সাফল্যের সারথি হতে পারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষকমনডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সকলের সুস্বাস্থ্য, উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করছি।

অধ্যক্ষের বাণী

“কারিগরি ও দ্বীনি শিক্ষার সমন্বয়ই আগামী দিনের সফল ক্যারিয়ারের চাবিকাঠি”

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত আবশ্যক। প্রফেশনাল টেকনিক্যাল অব মডার্ন ইনস্টিটিউট (PTMI) এমন একটি সুসংহত শিক্ষণ পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে দীর্ঘমেয়াদী ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী কারিগরি জ্ঞান প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল প্রথাগত তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের উপযুক্ত ও দক্ষ করে গড়ে তোলা। যুগের চাহিদার সাথে মিলিয়ে আইসিটি, চারুকলা ও নানাবিধ প্র্যাক্টিক্যাল কোর্সের সুষম সমন্বয়ে আমরা প্রতিটি শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করছি। বাস্তবসম্মত সঠিক গাইডলাইন ও আধুনিক ল্যাব সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণে দারুণ অবদান রাখবে—এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও টেকসই সাফল্য কামনা করি।

৩+

বছরের গৌরবময় পথচলা

কেন আপনি পিটিএমআই (PTMI)-কে বেছে নেবেন?

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আমাদের কোর্সগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের থিওরিটিক্যাল জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী কর্মক্ষেত্রে সরাসরি কাজ করার যোগ্য করে তোলে।

অভিজ্ঞ শিক্ষক ও ট্রেইনার

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অনুমোদিত এবং অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশিক্ষক মণ্ডলী দ্বারা প্রতিটি বিষয়ের নিখুঁত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

আধুনিক ল্যাব ও প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস

কম্পিউটার ও আইসিটি কোর্সের জন্য রয়েছে সম্পূর্ণ সুসজ্জিত ল্যাব এবং চারুকলা ও শারীরিক শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত প্র্যাক্টিক্যাল উপকরণের ব্যবস্থা।

শতভাগ সঠিক গাইডলাইন ও সনদ

কোর্স শেষে সরকারি বোর্ড অনুমোদিত সার্টিফিকেট প্রদান এবং বেসরকারি স্কুল-কলেজে (MPO ভুক্ত প্রতিষ্ঠান) শিক্ষকতার আবেদনের জন্য শতভাগ সঠিক গাইডলাইন।

BTEB

অনুমোদিত শিক্ষাক্রম

১০০%

প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস

স্মার্ট

ক্যাম্পাস ও পরিবেশ

MPO

শিক্ষকতার সুযোগ

১ বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্সের সুবিধাসমূহ

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) কর্তৃক অনুমোদিত ১ বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফাইন আর্টস (চারু ও কারুকলা), ফিজিক্যাল এডুকেশন (বিপিএড সমমান) ও কম্পিউটার টেকনোলজি (আইসিটি) কোর্সগুলোর চাকরির বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং চাকরির সুযোগ বেশ সম্ভাবনাময়। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় কোর্সগুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ইহার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। উক্ত বিষয়ে কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে উক্ত কোর্সগুলোর শূন্য পদের সংখ্যা অনেক বেশি এবং চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় ভালো ও মানসম্মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি হওয়ার সুযোগও রয়েছে। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের চাহিদা দিন দিন ব্যাপকভাবে বাড়ছে। কেননা এই কোর্সগুলো সময় সাশ্রয়ী এবং চাকরির ক্ষেত্র অনেক। সুতরাং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে থাকতে চারু ও কারুকলা, শারীরিক শিক্ষা এবং আইসিটি কোর্স করুন, বেকারমুক্ত জীবন গড়ুন।

চারু ও কারুকলা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য চারু ও কারুকলা পদটি নতুন সৃষ্ট পদ। বর্তমানে প্রতিটি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উক্ত বিষয়ের জন্য পদ শূন্য রয়েছে। অপরদিকে চারু ও কারুকলা কেবল একটি শিল্পচর্চা নয় বরং সৃজনশীল ও ব্যবহারিক দক্ষতার সমন্বয়ে গড়া একটি পেশা।

চাকরির ক্ষেত্রে চারু ও কারুকলা কোর্সের ক্ষেত্রসমূহঃ

শিক্ষক হিসেবে কর্মসংস্থানঃ প্রতিটি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলে সহজেই চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিল্প ও সংস্কৃতি পদে সহকারী শিক্ষক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগ (প্রস্তাবিত): সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “চারু ও কারুকলা” বিষয়ের নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করার প্রস্তাবনা রয়েছে। উক্ত পদটি অনুমোদিত হলে চারু ও কারুকলা কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা সুবিধা পাবেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগঃ জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চারু ও কারুকলা বিষয়ে পদ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্পোরেট ক্ষেত্রে কাজের সুযোগঃ বাংলাদেশের তাঁত ও টেক্সটাইল শিল্পে ডিজাইন, ফ্যাশন ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল আর্ট, ফটোগ্রাফি, বিজ্ঞাপন সংস্থা এবং প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসে কাজের সুযোগ রয়েছে।

শারীরিক শিক্ষা/বিপিএড সমমান

২৮ অক্টোবর ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) হতে ১ বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন ফিজিক্যাল এডুকেশন বিষয়টি এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় চাকরির ক্ষেত্রে এই কোর্সের চাহিদা ব্যাপক ও গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করে না বরং কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব ও কর্মক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শিক্ষা কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

চাকরির ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা কোর্সের ক্ষেত্রসমূহঃ

শিক্ষক হিসেবে কর্মসংস্থানঃ এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজ গুলোতে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক বা শরীর চর্চার প্রশিক্ষক হিসেবে চাকরির বিশাল সুযোগ রয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “শারীরিক শিক্ষা” বিষয়ের নতুন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। যেখানে শারীরিক শিক্ষা কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা সুবিধা পাবেন।

ক্রীড়া সংস্থায় চাকরির সুযোগঃ জেলা ক্রীড়া অফিসার, বিভিন্ন ক্লাব, ক্রীড়া পরিষদ, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এবং ফেডারেশনের প্রশিক্ষক হিসেবে চাকরির সুযোগ।

কর্পোরেট ক্ষেত্রে কাজের সুযোগঃ বর্তমানে অনেক কর্পোরেট অফিসে কর্মচারীদের সুস্থতার জন্য স্পোর্টস সুবিধা থাকে যেখানে দক্ষ শারীরিক শিক্ষা প্রশিক্ষকের চাহিদা রয়েছে।

সংক্ষেপে, শারীরিক শিক্ষা কোর্স একজন শিক্ষার্থীকে দক্ষ শিক্ষক বা প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সুস্থ ক্যারিয়ার ও জীবন গড়ার পথ সুগম করে।

 

আইসিটি

আইসিটি জ্ঞান বর্তমান সময়ে প্রায় সব ধরনের চাকরির জন্য অপরিহার্য। এটি চাকরি প্রাপ্তি এবং কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের সুযোগ অনেক বাড়িয়ে দেয়। চাকরির বাজারে ১ বছর মেয়াদি আইসিটি কম্পিউটার কোর্সটি অত্যন্ত মূল্যবান এবং অনেক সুবিধা রয়েছে।

চাকরির ক্ষেত্রে আইসিটি কোর্সের ক্ষেত্রসমূহঃ

শিক্ষক হিসেবে কর্মসংস্থানঃ এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পদ সৃষ্টির সম্ভাবনাঃ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ১ বছর মেয়াদি আইসিটি কোর্সধারীদের জন্য বিভিন্ন পদ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আইটি পেশায় কাজের সুযোগঃ ১ বছর মেয়াদি আইসিটি কোর্স সম্পন্নকারী ব্যক্তি টেকনিশিয়ান, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, জুনিয়ার ওয়েব ডেভেলপার ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজের সুযোগ পান।

প্রমোশনের সুযোগঃ অনেক প্রতিষ্ঠানে টেকনিক্যাল পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ১ বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স একটি বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

সংক্ষেপে, আইসিটি কোর্স শুধুমাত্র চাকরি পাওয়ার সুবিধা বাড়ায় না বরং কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা, সৃজনশীলতা এবং ব্যক্তিগত পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

আমাদের বৈশিষ্ট্যঃ

(ক) ক্যাম্পাসটি নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশ বেষ্টিত।

(খ) সরাসরি/ অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা।

(গ) দূরবর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার সময় আবাসিক থাকার ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।

(ঘ) চাকরিজীবীদের জন্য শুক্রবার ও শনিবার বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা।

(ঙ) দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিষয়ভিত্তিক ট্রেড ইন্সট্রাক্টর দ্বারা ক্লাস গ্রহণ।

(চ) শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিষয়ভিত্তিক হ্যান্ডনোট প্রদান।

(ছ) কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সরকারি সনদ প্রদান।

প্রতিষ্ঠানের তথ্য

শিক্ষার্থী তথ্য

একাডেমিক

অন্যান্য তথ্য